সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১০:০৮ অপরাহ্ন
মুরুব্বিরা কয় নাগালে না থাকলে নাকি মানুষ মানুষরে ভুইলা যায়?
কই আমার বেলায় তো এমন হইল না!
তুমি চোখের আড়াল হইছ ঠিকই,
কিন্তু এই কলিজার ভেতর থাইকা তো একটুও সরলা না!
উল্টা যত দিন যাইতাছে স্মৃতির আগুন ততোই বাড়তাছে।
বাড়ির পাশের রাস্তা দিয়া কতো মানুষ হাঁটে, কত কোলাহল।
অথচ আমার চারপাশটা কেমন নীরব নিস্তব্ধ হইয়া থাকে সবসময়।
কানের কাছে খালি তোমার সেই শেষ কথাগুলাই বাজে—
“আমার আর কোনো উপায় আছিল না, আমারে মাফ কইরা দিও।”
কীসের মাফ? কার কাছে মাফ চাও তুমি?
যারে জ্যান্ত কবরে ঢুকাইয়া তুমি নিজের সুখের ঘর সাজাইলা তার কাছে?
আর আমি আইজও এই ভাঙা ঘরে তোমার ফেরার পথ চাইয়া থাকি।
মাঝে মাঝে খুব রাগ হয়, ইচ্ছে করে সব ভাইঙা চুরমার করি,
বুকের ভেতর জইমা থাকা সব কষ্ট চিৎকার দিয়া আকাশরে জানাই।
কিন্তু পরক্ষণেই চোখ দিয়া ঝরঝর কইরা পানি নাইমা আসে,
শরীরটা এক্কেবারে নিস্তেজ হইয়া যায়।
ভাবি_ কার ওপর রাগ করুম? তুমি তো এখন অন্য কারো মানুষ।
আমার কান্দনে তো আর তোমার মনে দয়া লাগব না।
আইজকাল রাইত গভীর হইলেই বুকটা কেমন জানি খালি খালি লাগে, বুকের ভেতরটা হু হু কইরা ওঠে।
বালিশটা চোখের পানিতে ভিজা যায়_ তাও রাইত ফুরায় না।
এই কষ্টের কোনো শেষ নাই, এই যন্ত্রণার কোনো ওষুধ নাই।
তুমি তো ভালোই আছ নতুন মানুষ নিয়া,
আর আমি এইখানে প্রতিটা সেকেন্ডে তিলে তিলে মইরা যাইতেছি।
ক্যান আমারে এত বড় শাস্তি দিলা! কি দোষ ছিলো আমার?